বোর পরমাণু মডেল এর ভিত্তি কি?
-
ক
প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব
-
খ
ডাল্টনের পারমাণবিক তত্ত্ব
-
গ
আরহেনিয়াসের তড়িৎ বিযোজন তত্ত্ব
-
ঘ
পাওলির বর্জন পত্র
বোর পরমাণু মডেলের ভিত্তি হলো প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব।
ব্যাখ্যা:
- বোর পরমাণু মডেল:
নীলস বোর 1913 সালে ইলেকট্রনের আচরণ ব্যাখ্যা করার জন্য বোর পরমাণু মডেল প্রস্তাব করেন।
- প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব:
ম্যাক্স প্লাঙ্ক 1900 সালে কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রস্তাব করেন।
এই তত্ত্ব অনুসারে, শক্তি নির্দিষ্ট পরিমাণে (কোয়ান্টাম) বিকিরিত হয়।
- বোর মডেলের ধারণা:
বোর মডেল ধারণা করে যে ইলেকট্রন নির্দিষ্ট কোয়ান্টাম স্তরে নির্দিষ্ট শক্তি নিয়ে ঘোরে।
- উপসংহার:
বোর পরমাণু মডেল প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে তৈরি।
বোর পরমাণুর মডেল :
ম্যাক্স প্লাঙ্কের বিকিরন কোয়ান্টাম তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে পরমাণুর এবং একই সাথে পারমানবিক বর্ণালী ব্যাখ্যার জন্য নীলস বোর ১৯১৩ সালে তাঁর বিখ্যাত পরমাণু মডেল প্রকাশ করেন। বোর পরমাণুর মডেলের প্রধান তিনটি স্বীকার্য হচ্ছে -
১.ইলেকট্রনের স্থির কক্ষপথ বা শক্তিস্তরের ধারণা:
পরমাণুতে যে সব ইলেকট্রন থাকে তারা নিউক্লিয়ানকে কেন্দ্র করে ইচ্ছমত যে কোন বৃত্তাকার কক্ষপথে বিচরণ করতে পারে না, কেবলমাত্র কতগুলো নির্দিষ্ট ব্যাসার্ধের বৃত্তকার কক্ষপথে কোন রুপ শক্তি বিকিরণ না করে অনবরত ঘুরতে থাকে। এই কক্ষপথগুলোকে শক্তিস্তর বলে। শক্তিস্তর নির্দেশকারী এই সংখ্যাগুলোকে প্রধান কোয়ান্টাম বলে (n)। এই শক্তিস্তরগুলোকে 1,2,3...... ইত্যাদি পূর্ণ সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করা হয়। এই শক্তিস্তরগুলোকে ইংরেজী অক্ষর K,L,M,N... ইত্যাদি দ্বারাও প্রকাশ করা হয়। নিউক্লিয়াস হতে যত দূরে যাওয়া যায় কক্ষপথের শক্তি ততই বৃদ্ধি পায় ।
২.শক্তি শোষণ বা বিকিরণ ও বর্ণালী সৃষ্টির ধারণা :
নির্দিষ্ট বৃত্তাকার কক্ষপথে যেকোন একটিতে বিচরণকালে ইলেকট্রন কোন শক্তি বর্জনও করে না, শোষণও করে না অথাৎ এই কক্ষপথগুলিতে ইলেকট্রন স্থির না থাকলেও এদের শক্তি স্থির থাকে । ইলেকট্রন এক শক্তিস্তর থেকে অন্য শক্তিস্তরে স্থানান্তরিত শক্তির শোষণ বা বিকিরণ ঘটে। উচ্চ শক্তিস্তর (যার শক্তি E2) হতে নিম্ন শক্তিস্ত (যার শক্তি E1) এ স্থানান্তরিত হলে যে শক্তি বিকিরণ হয় তার পরিমাণ হবে (E2– E1) । আবার নিম্ন শক্তিস্তর (যার শক্তি E1) হতে উচ্চ শক্তিস্ত (যার শক্তি E2) এ স্থানান্তরিত হলে যে শক্তি বিকিরণ হয় তার পরিমাণ হবে (E2 - E1 ) । অতএব শোষিত বা বিকিরিত শক্তিকে নিম্নের সমীকরনের সাহায্যে প্রকাশ করা হয়।
বোর পরমাণুর মডেলের সীমাবদ্ধতা :
১. এই মডেল যে সকল পরমাণু বা আয়নে একটি মাত্র ইলেকট্রন থাকে (যেমন- H, He, Li2+) তাদের বর্ণালী ব্যাখ্যা করতে পারলেও একাধিক ইলেকট্রন বিশিষ্ট পরমাণুসমূহের বর্ণলী ব্যাখ্যা করতে পারে না
২. ইলেকট্রন যখন এক শক্তিস্তর হতে অপর শক্তিস্তরে স্থানান্তরিত হয় তখন বোর পরমাণু মডেল অনুসারে বর্ণালিতে একটি করে রেখা সৃষ্টি হওয়ার কথা, কিন্তু বাস্তবে অধিকতর সূক্ষ্ম যন্ত্র দ্বারা পরীক্ষা করলে দেখা যায়, পারমাণবিক বর্ণলির প্রতিটি রেখা একাধিক সূক্ষ্ম রেখায় বিভক্ত হয়ে পড়ে। বোরের মতবাদ এর কোন ব্যাখ্যা দিতে পারে না। অবশ্য পরবর্তীতে বোর মতবাদের সম্প্রসারন করে বিজ্ঞানী সমারফিল্ড এর ব্যাখ্য প্রদান করে।
৩. বোর মতবাদ হাইজেনবার্গ এর অনিশ্চয়তার নীতি, স্টার্ক ফলাফল, জীম্যান ফলাফল ব্যাখ্যা করতে পারে না ।
Related Question
View All-
ক
বৃদ্ধি পায়
-
খ
হ্রাস পায়
-
গ
একই থাকে
-
ঘ
কোনোটিই নয়
-
ক
কোয়ান্টাম তত্ত্ব
-
খ
ডাল্টনের পারমানবিক তত্ত্ব
-
গ
আপেক্ষিক তত্ত্ব
-
ঘ
তড়িৎ বিয়োজন তত্ত্ব
-
ক
হাইজেনবার্গ অনিশ্চতাসূত্র
-
খ
ডিব্রগলি সমকরণ
-
গ
সোডিঞ্জার তরঙ্গ সমীকরন
-
ঘ
ভরশক্তি
-
ক
কোয়ান্টাম থিওরি
-
খ
ডাল্টন’স পারমাণবিক থিওরি
-
গ
তড়িৎ বিয়োজন থিওরি
-
ঘ
কোনোটিই নয়
-
ক
9
-
খ
10
-
গ
11
-
ঘ
12
-
ঙ
13
-
ক
h+
-
খ
He+
-
গ
Li+
-
ঘ
Be+
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন